চলুন জেনে নেয়া যাক ক্যাপসিকামের গুনাগুন।

চলুন জেনে নেয়া যাক ক্যাপসিকামের গুনাগুন।
চলুন জেনে নেয়া যাক ক্যাপসিকামের গুনাগুন।

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ 

আমাদের আশপাশে সবজির ছড়াছড়ি। অসংখ্য মানুষ সবজি নিয়মিত খেয়ে থাকেন। আর সবজি খাওয়া যে স্বাস্থ্যের পক্ষে ভীষণ উপকারী, তা কিন্তু বারবার প্রমাণ হয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরাও তাই সবজি খাওয়ার বিষয়ে জোর দিতে বলেন।

তবে আমাদের মধ্যে অনেকেই নিত্যনতুন সবজি নতুন সবজি খাওয়ার বিষয়ে জোর দিই না। এই যেমন ক্যাপসিকামের কথাই ধরুন না। এক্ষেত্রে ক্যাপসিকাম খেতে দারুণ। এই সবজি ব্যবহারের অনেক জায়গা। তবে এরপরও মানুষ এই খাবার খেতে চান না। এটা মেনে নিতে হবে যে এই খাবারের দামটা একটু বেশি। তাই সকলেই যে এই খাবার পাতে রাখতে পারবেন না, এটা নিশ্চিত। তবে যাঁরা পারেন, তাঁরা কিন্তু অবশ্যই এই খাবার রাখতে পারেন ডায়েটে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

এক্ষেত্রে ক্যাপসিকামে রয়েছে ভালো পরিমাণে ফাইবার, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, বিটা ক্যারোটিন ইত্যাদি। এই সমস্ত মিলিয়ে মিশিয়ে ক্যাপসিকাম শরীরের অনেক উপকার করে দিতে পারে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই।

এবার আসুন জেনে নেওয়া যাক ক্যাপসিকাম খাওয়ার লাভ-

অ্যানিমিয়া দূর করতেঃ
এই খাবারে রয়েছে ভালো পরিমাণে ভিটামিন ও আয়রন । এই ভিটামিন ও আয়রন আপনার শরীরের আয়রন ডেফিসিয়েন্সি কাটিয়ে দিতে পারে। তাই প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই বিষয়টি নিয়ে সতর্ক হয়ে যেতে হয়।

ইমিউনিটি বাড়াতে পারেঃ
এবার ইমিউনিটি বাড়িয়ে ফেলাটা শরীরের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। এক্ষেত্রে ইমিউনিটি বেশি থাকলে শরীরে রোগ দেখা দেওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে। এবার এই খাবারে রয়েছে ভালো পরিমাণে ভিটামিন সি। তাই ইমিউনিটি বাড়িয়ে নিতে পারে ক্যাপসিকাম।

চোখের জন্য ভালোঃ
ক্যাপসিকামে রয়েছে রয়েছে লিউটিন ও জিয়েক্সানথিন। এই দুটি উপাদান খুব সহজেই সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। তাই চিন্তার কোনও কারণ নেই। এবার প্রতিটি মানুষকে অবশ্যই এই সবজি রাখতে হবে পাতে।

আরও পড়ুনঃ ওয়ার্কআউটের পর এই ৪ টি জিনিস অবশ্যই খেতে হবে।